প্রধান নিউজ
কাপাসিয়ায় মাদ্রাসার সভাপতি হলেন গৃহীনি মাসুমা সরকার কাপাসিয়ায় মাদ্রাসার সভাপতি হলে গৃহীনি মাসুমা সরকার কাপাসিয়ায় মাদ্রাসার সভাপতি হলে গৃহীনি মাসুমা সরকার অটোচালকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে জননেতা মোঃ আক্তার হোসেন। অটোচালকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে জননেতা মোঃ আক্তার হোসেন। কাপাসিয়ায় বিধবা ও অসহায় মহিলাদের জন্য চেক বিতরন, এমপি সালাউদ্দিন আইয়ুবী- খিরাটির প্রিয় রাকিব হাসান ভাইয়ের বাবার জানাজা পড়াচ্ছেন এমপি সালাউদ্দিন আইয়ুবী টোক ইউনিয়নের সালোয়ারটেকি গ্রামের অসুস্থ্য জাহাঙ্গীর কে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন জননেতা মোঃ আক্তার হোসেন কাপাসিয়ায় প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ ফজলুল হককে হুইলচেয়ার বিতরণ কাপাসিয়ায় দরিদ্র কৃষক মোঃ শাহজাহানের গরু চুরি
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন

কাপাসিয়ায় রাজস্ব খাতের অর্থায়নে আমন ধানের উন্নত জাত ‘বিনাধান-২৬’এর সফল কৃষক এন্তাজ

এস এম লবিব / ১০০ Time View
প্রকাশকাল : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় কৃষকদের আধুনিক ও উন্নত জাতের ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করতে এবং ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি বিভাগ। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সরকারের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে উপজেলার টোক ব্লকে আমন ধানের উন্নত জাতের একটি প্রদর্শনী মাঠ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কাপাসিয়া-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই প্রদর্শনী ক্ষেত্রটি তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার টোক ব্লকের দেওরাইট গ্রামের প্রান্তিক কৃষক এন্তাজ উদ্দিনের ৩৩ শতাংশ জমিতে এই উন্নত জাতের আমন ধান চাষের প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়।
এ বছর খরিপ-২ মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল ও আধুনিক জাত হিসেবে পরিচিত ‘বিনাধান-২৬’ চাষের জন্য নির্বাচন করা হয়। গত ৮ আগস্ট জমি প্রস্তুত করে আনুষ্ঠানিক ভাবে চারা রোপণ সম্পন্ন করেছেন চাষি এন্তাজ উদ্দিন। মাঠ পর্যায়ে নতুন এই জাতের সম্প্রসারণ ও ফলন পর্যবেক্ষণ করতে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা জানান, রাজস্ব খাতের প্রদর্শনী মাঠের মূল উদ্দেশ্য হলো আশেপাশের সাধারণ কৃষকদের মাঝে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও নতুন জাতের ধানের উপযোগিতা হাতেকলমে প্রদর্শন করা। বিনাধান-২৬ একটি উচ্চ ফলনশীল জাত, যা কৃষকদের লাভবান করতে ভূমিকা রাখবে। এই প্রদর্শনীর সফলতা দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও আগামীতে বিনাধান-২৬ চাষে আগ্রহী হবেন বলে আশা প্রকাশ করছে কৃষি বিভাগ।
উল্লেখ্য এ জমি নিয়ে একাধিক নিউজ করা হয়েছে,

কাপাসিয়ায় ৫৪ বছরের দখলে থাকা জমি পুনরায় দখল করতে হলো আদালতের রায়ের আলোকে 
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের উজুলী মৌজার এন্তাজ উদ্দিন ও মোমতাজ উদ্দিন গং দের দখলে থাকা জমি দীর্ঘ ৫৪ বছর পর হঠাৎ করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দখল করেন তার ভাতিজা মোঃ রফিজ উদ্দিন রফিক এ নিয়ে মামলা চলমান থাকলে মামলার রায়ে  পুনরায় এ জমি দখলে নেন এন্তাজ উদ্দিন ও মোমতাজ উদ্দিন গং।
বিভিন্ন দলিল ও মামলার রায় মূলে যা জানা যায় ৩৪ নং সিএস খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক আমুদ আলী শেখ পাঁচপুত্র এবং দুই কন্যা রেখে মৃত্যুবরণ করেন।
পরবর্তীতে আমুদ শেখের দুই পুত্র যথাক্রমে শহর আলী ও বাহর আলী এবং দুই কন্যা সখিনা খাতুন ও জরিনা খাতুন ১৯৬৩ সালে বিভিন্ন দলিলে স্বামী আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া এবং আয়শা খাতুন বরাবর বিক্রি করেন ।
তাছাড়াও বাকি দুই পুত্র ওমর আলী এবং মোহর আলী মৃত্যুবরণ করিলে তাহার ঔরসজাত ছেলে মেয়ে বিভিন্ন দলিল দিয়ে গ্রহীতার বরাবর হস্তান্তর করেন ১৯৬৩ সালে।
পরবর্তীতে উল্লেখিত গ্রহীতাগন ১৯৭৫ সালে এবং নিজস্ব রেকর্ডীয় মালিক আমুদ শেখ অন্য ছেলে হাফিজ উদ্দিন ১৯৭২ সালে বর্তমান দখলদার এন্তাজ উদ্দিন ও মমতাজ উদ্দিন এর পিতা মরহুম রমজান আলী বরাবর হস্তান্তর করে। সে সত্তে ১৯৭২ এবং ১৯৭৫ সাল থেকে জমির দখল  বংশানুক্রমে রমজান আলী ভোগদখল করলে তার মৃত্যুর ২৫ বছর যাবত তার ওয়ারিশগনের দখলে এবং তারা চাষাবাদ করে আসছে।
বিভিন্ন দলিল ও রেকর্ডীয় মালিক হয়ে দীর্ঘদিন এর জমি চাষাবাদ করে আসলে হঠাৎ ৫ই আগস্টের পর পটভূমি পরিবর্তন হলে রফিজ উদ্দিন এই জমির মালিক দাবি করে তার চাচা বশির উদ্দিন বাসু টোক ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি থাকায় এ পথকে ব্যবহার করে এই জমিতে চাষাবাদ করতে নিষেধ করে।
প্রথমে তারা রেকর্ড মূলে জমির মালিক বলে বাধা দেয় পরবর্তীতে রমজান আলী গং রেকর্ড বিরোধী মামলা দেন মামলায় তাদেরকে কারণ দর্শানো হলে তারা কোর্ট  হাজির হয়নি,কোডে আদেশ হয় জমি পূর্বে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় থাকবে। এই মামলার বিরুদ্ধে তারা একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে কোর্টে সে মামলাতেও তারা হাজির হয়নি।

এলাকার প্রবীণ কৃষক, দুলাল মেলেটারি বলেন , আমার জমির সাথে তাদের এই জমি আমি দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত দেখে আসতেছি হঠাৎ করে রফিজ উদ্দিন তারা কিভাবে জমির মালিক হলো এটা বুঝে আসেনা এটা একটা মিথ্যা অভিযোগ এবং মিথ্যা হয়রানি।
এলাকার অন্য কৃষক আব্দুল মজিদ বলেন, আমার জমির সাথে তার জমি আমি কোর্টেও এ ব্যাপারে কথা বলেছি তারা মিথ্যা ভাবে তাদেরকে হয়রানি করতেছে ক্ষমতার বলে দলের জোরে এটা একটা ডাহা মিথ্যা বিষয়।
এভাবে পরপর দুটি মামলায় তারা ব্যর্থ হলে জোরপূর্বক ভাবে জমি দখলের চেষ্টা করে।
সর্বশেষ কোর্টের  রায় হয় এন্তাজ আলী এবং মোমতাজ উদ্দিন গংদের পক্ষে এবং তারা তাদের জমিতে পুনরায় চাষাবাদ শুরু করে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ রফিজ উদ্দিন ব্রিজের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার কাছে কাগজ আছে আমি পরে দেখা করব।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বশির উদ্দিন বাসুর সাথে যোগাযোগ করলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category